হাদী হামলার ঘটনায় ছাত্রনেতা সাদিক কায়েম গ্রেফতার
হাদী হামলার ঘটনায় ছাত্রনেতা সাদিক কায়েম গ্রেফতার
ঢাকা
রাজধানীর বিজয়নগরে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীর ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভিপি ও ছাত্রনেতা সাদিক কায়েমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ র্যাব ও ডিএমপির যৌথ অভিযানে মিরপুরের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ভিডিও দেখুন এখানে 👇 👇 👇 👇 👇 👇 👇 👇
কেন গ্রেফতার?
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, হামলার ঘটনার পর সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজ, কল রেকর্ড বিশ্লেষণ ও কয়েকজন সন্দেহভাজনের জিজ্ঞাসাবাদে সাদিক কায়েমের নাম উঠে আসে।
তদন্তকারীরা দাবি করছেন, হামলার দিন দুপুরে তিনি ঘটনাস্থলের কাছাকাছি ছিলেন এবং সন্দেহজনক কিছু যোগাযোগ তার ফোনে ধরা পড়েছে — যা তদন্তকে সরাসরি তার দিকে নির্দেশ করে।
হামলার বিবরণ
বিজয়নগরের বক্স কালভার্ট রোডে মোটরসাইকেলে আসা দুই দুর্বৃত্ত হেলমেট পরে হাদীর ওপর গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢামেকে নেওয়া হয় এবং পরে এভারকেয়ারে স্থানান্তর করা হয়। যা সারা দেশে ব্যাপক আলোড়ন তোলে।
পুলিশের বক্তব্য
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এক ব্রিফিংয়ে বলেন:
“হাদি হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত। সাদিক কায়েম এই পরিকল্পনা ও হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কি-না—তা আমরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি। আরও কয়েকজন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, সাদিক কায়েমকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে এবং তদন্তে আরও বিস্তার আনা হবে।
সাদিক কায়েমের প্রতিক্রিয়া
গ্রেফতারের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সাদিক কায়েম বলেন—
“আমি নির্দোষ। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। সত্য একদিন প্রকাশ হবেই।”
রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
হাদি হত্যাকাণ্ড এবং সাদিক কায়েমের গ্রেফতার—উভয় ঘটনাই ছাত্ররাজনীতি ও জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।
বিভিন্ন সংগঠন এই ঘটনায় দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।


Comments
Post a Comment